জহুরুল ইসলাম বিজলী মালিথা উদ্যােগে খাল পুনঃখননে কৃষিতে নতুন বিপ্লব ঘটবে।
কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের ১টি খালের ১কিলোমিটার পুনঃ খননের ফলে জলাবদ্ধতা ও সেচ সংকট দূর হয়েছে। এতে করে বাহিরচর ইউনিয়নের কয়েক হাজার প্রান্তিক কৃষক নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, খাল- পুনঃ খননের ফলে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়বে পাশাপাশি স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
জানা গেছে, পুরাতন ফেরীঘাট এলাকায় ১টি খাল দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে ভরাট হয়ে ছিল। ফলে শুষ্ক মৌসুমে সেচের অভাবে কৃষকদের বছরে মাত্র একটি ফসল উৎপাদন করেই সন্তুষ্ট থাকতে হতো। আবার বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় চাষের জমি ডুবে যেত, নষ্ট হতো, ক্ষেতের ফসল। এর সঙ্গে যুক্ত ছিল ভাঙাচোরা রাস্তার দুর্ভোগ—কৃষিপণ্য পরিবহনে কৃষকদের পড়তে হতো চরম ভোগান্তিতে। এই দুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ভেড়ামারা উপজেলা বাহিরচর ইউনিয়ন শাখা সহ-সভাপতি জহুরুল ইসলাম বিজলী মালিথা তার নিজ উদ্যোগে সকল কৃষক ভাইদের সাথে নিয়ে সকল প্রচেষ্টা বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে ১টি খালের ১ কিলোমিটার অংশ পুনঃ খনন করা হয়।
এলাকার স্থানীয়রা বলেন, “কিছুদিন আগেও খাল টি ডোবা-নালার মতো হয়ে পড়েছিল। গ্রামের লোকজন সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলত। ফলে মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে যেত, ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি তৈরি হতো। দুর্গন্ধের কারণে চলাচলও কঠিন ছিল। এখন খাল খননের ফলে পরিবেশ যেমন ভালো হয়েছে, তেমনি আমরা কৃষকরাও উপকৃত হবো।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ভেড়ামারা উপজেলা বাহিরচর ইউনিয়ন শাখা সহ-সভাপতি জহুরুল ইসলাম বিজলী মালিথা তিনি বলেন যথাযথভাবে পুনঃ খনন করা হয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরো বলেন “গ্রীষ্মে পানির অভাব এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতার কারণে এতদিন ধানসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হতো। এখন খাল পুনঃ খননের ফলে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে এবং জলাবদ্ধতা কমেছে। ফলে কৃষকরা বছরে একাধিকবার ফসল ফলাতে পারবেন এবং আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।