1. newsofbangla247@gamil.com : Newsofbanglatv : newsofbanglatv newsofbanglatv
  2. 6846serious@uberip.com : superadmin :
ভুমি অফিসগুলোতে ঘুষ ছাড়া সেবা পায় না ভূমি মালিকরা - News Of Bangla TV ভুমি অফিসগুলোতে ঘুষ ছাড়া সেবা পায় না ভূমি মালিকরা - News Of Bangla TV
October 27, 2026, 4:44 pm

ভুমি অফিসগুলোতে ঘুষ ছাড়া সেবা পায় না ভূমি মালিকরা

মিরু হাসান বাপ্পি
  • Update Time : Sunday, September 27, 2026
  • 86 Time View

৪ লাখ টাকার খাজনা যেভাবে হয়ে গেল ৬ হাজার, আদমদীঘির ভুমি অফিসগুলোতে ঘুষ ছাড়া সেবা পায় না ভূমি মালিকরা

মিরু হাসান, বগুড়া প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ইউনিয়ন ভুমি অফিসগুলো যেন ঘুষের কারখানায় পরিনত করা হয়েছে। উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিস গুলোতে ঘুষ ছাড়া সেবা পায় না ভূমি মালিকরা এমন অভিযোগ অনেক ভুক্তভোগীদের। ভুমি সংক্রান্ত কিছু ত্রুটি ছাড়াও বকেয়া খাজনা (ভুমি উন্নয়ন কর) প্রদানেও ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয় ভুমি মালিককে। এক লাখ টাকা ঘুষের মাধ্যমে প্রায় ৪ লাখ টাকার বকেয়া খাজনা মাত্র ৬ হাজার টাকায় দফারফা করার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার চাঁপাপুর ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তা আয়েশা খাতুনের বিরুদ্ধে। ওই ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহন করার একটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকার ভুমি সংক্রান্ত জটিলতা দুর করার জন্য ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করেছেন কয়েক বছর আগে। সব কিছু অনলাইন ব্যবস্থা করা হলেও ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তার চুড়ান্ত প্রতিবেদন বাধ্যতামুলক করে রাখা হয়েছে। এযেন বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো অবস্থা। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঘুষের কারখানায় পরিনত করেছে ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তারা। নামজারি ও খাজনা আদায়ে ঘুষ ছাড়া কোন সেবা মেলে না। উপজেলার সব ইউনিয়নে এমন অবস্থা চলার কথা শোনা যায় কান পাতলেই। কোনটাতে কম কোনটাতে বেশি। কোনটাতে দালাল মাধ্যমে আবার কোনটাতে কর্মকর্তা নিজেই চুক্তির মাধ্যমে লেনদেন করে থাকেন। এর মধ্যে চাঁপাপুর ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা মোছাম্মদ আয়েশা খাতুনের নাম বেশ আলোচিত হচ্ছে ভুক্তভোগী ভুমি মালিকসহ এলাকার জনপ্রতিনিধের মুখে মুখে।

জানা যায়, ওই ইউনিয়নের ঝাঁখর মৌজায় ১৭৯৪ দাগের এক একর ৯০ শতাংশ পুকুর (কৃষি ২) এর ৪৯ বছরের খাজনা বা ভুমি উন্নয়ন কর জরিমানাসহ বকেয়ার পরিমাণ তিন লাখ ৮৬ হাজার ৯০৭ টাকা। ২৩ সেপ্টেম্বর/২০২৬ তারিখে কর প্রদত্ত অনলাইন রসিদে ওই বকেয়া ও জরিমানার পরিমাণ উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি হাল দাবি দেখানো হয়েছে সাত হাজার ছয়শত টাকা। আবার আদায় বিবরণে তিন বছরের উর্ধ্বের বকেয়া তিন হাজার একশত ৪৩ টাকা, গত তিন বছরের বকেয়া এক হাজার দুইশত ২২ টাকা, বকেয়ার জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ এক হাজার আটশত ৩৪ টাকা ও হাল দাবি ৩৮০ টাকা মোট ছয় হাজার পাঁচশত ৭৯ টাকা। এবিষয়ে চাঁপাপুর ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তা মোছাম্মাদ আয়েশা খাতুন ঘুষের বিনিময়ে ভুমি উন্নয়ন কর, জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবী করে বলেন, অনলাইন ব্যবস্থায় এটা করা কোন ভাবেই সম্ভব না। তিনি আরো বলেন, অনলাইন সফটওয়ার করার সময় পুরো তথাদি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায় ওই ভুমির বেশ কিছু পরিমাণ কর পরিশোধ করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই ও নীতিমালা মোতাবেক বকেয়া ভুমি উন্নয়ন কর, জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ সম্পুর্ন মিখ্যা ও বানোয়াট।

See also  রাজশাহীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

এবিষয়ে চাঁপাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হিটলু সাংবাদিকদের বলেন, এ ধরণের ঘটনা যদি সত্য হয় তাহলে আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি।

এব্যাপারে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।##

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

BD IT HOST