বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আজ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।
আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা।
মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড
রায়ে আসামিদের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব সম্পত্তি জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন বা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ সংস্থার মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
রায় ঘোষণার সময় চার আসামিই পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
নুসরাত হত্যা মামলার রায়ে যা হলো
গত ৭ অক্টোবর উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত ১০ জুন হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছিল। পরে রাষ্ট্রপক্ষ নতুন কিছু তথ্যপ্রমাণ দাখিল করলে উভয় পক্ষ পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে।
২০২৫ সালের ৫ অক্টোবর প্রসিকিউশন চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে,তা আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। পরে ২ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। আনুষ্ঠানিক অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর সফলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: রিজভী
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে নিহত হন শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম ও সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন ও উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী এবং চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ। এ ঘটনায় আরও অনেকে আহত হন। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চার আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়।