*কালিহাতী উপজেলায় ১৮৪ টি পূজা মন্ডপের পূজারীদের মধ্যে সরকারি অনুদান বিতরণ। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ তরিকুল ইসলাম ডিও আটকে দিয়ে, ছিটকিরি মেরে অফিসে অবস্থান নেন।*
*নিজস্ব প্রতিনিধি বিপ্লব সরকার* শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলায় মোট ১৩৬৫ টি দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কালিহাতীতে ১৮৪টি পূজা মন্ডপ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের জি.আর তহবিল থেকে প্রত্যেক পূজা মন্ডপে ৬০০ কেজি করে চাল আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।কালিহাতী উপজেলা হলরুমে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব ফারজানা আক্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব শুকুর মাহামুদ, সাবেক সভাপতি কালিহাতি উপজেলা বিএনপি, নেতা জনাব আওয়াল স্যার, শাজাহান সিরাজ কলেজ কালিহাতী, সাবেক মেয়র জনাব আলী আকবর জব্বার সাহেব, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কালিহাতী উপজেলার আহ্বায়ক জনাব বাবু প্রদীপ ব্যানার্জি নিরু, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফন্টের কালিহাতী উপজেলার আহবায়ক, সমির সাহা মানিক, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের কালিহাতী শাখার সদস্য সচিব সুজিত দত্ত, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কালিহাতী ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সরকার, কালিহাতী উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নেয় প্রত্যেকটি পূজা মন্ডপের সাধারণ সম্পাদকের সিলমোহরসহ বিভিন্ন ডকুমেন্টস ছাড়া কোনো ডিও ইস্যু করা হবে না। সমস্ত ডিও তিনি আটকে দেন তার অফিস রুমে বসে ছিটকিরি মেরে বসে থাকেন ও বিভিন্ন প্রিন্ট্র মিডিয়ার সাংবাদিক তার সাথে সাক্ষাৎ করতে চাইলে ভিতর থেকে তিনি ছিটকিনি না খুলে বসে থাকেন এবং মিডিয়ার সাথে তিনি কোন কথা বলেননি এক পর্যায়ে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কালিহাতী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক বাবু প্রদীপ ব্যানার্জীর নিরু তার পদত্যাগের হুংকার দেন, তার সাথে সহমত পোষণ করেন সাবেক মেম্বার কালিহাতি পৌরসভার বিএনপি সহ সভাপতি হারুন মিয়া কঠোর অবস্থানে যান। ঘটনাটি যখন মার মুখি আচরণে রূপ নেয় তখন কালিহাতী উপজেলার মাননীয় এমপি মহোদয়ের পি এস শরিফ আহমেদ মোল্লা সহযোগিতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে ব্যাপারটি সমঝোতায় আসে। এতটুক ঘটনা প্রবাহ চলে যাওয়ার পরও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ তরিকুল ইসলাম কালিহাতি উপজেলার ১৮৪ টি পূজা মন্ডপের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের সাথে দেখা না করে ভিতর থেকে ছিটকিরি মেরে অফিসে অবস্থান নেন। কালিহাতী উপজেলার সনাতন ধর্ম অবলম্বনী নেতৃবৃন্দ প্রকল্প বাসৃতবায়ন কর্মকর্তার পদত্যাগ দাবি করেন। ঘাটাইল উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব রয়েছেন।
এছাড়া সে একই দিন দুপুর আনুমানিক ২:০০ ঘটিকার দিকে ঘাটাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের অফিস সহকারী, উপসহকারী প্রকৌশলীকে ডেকে এনে তাদের অখত্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। ঘাটাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে এ অফিস থেকে ঘার ধরে টেনে বের করে ছাতা দিয়ে আঘাত করে উপজেলা হতে বের করে দেন। এ ব্যাপারে তার সাথে কথা বলার জন্য গেলে দেখা যায় সে কার্যালয়ে নেই। এমনকি অফিসের সি.সি ক্যামেরার মূল ডিভাইস নিয়ে অফিস ত্যাগ করেছে। অভিযোগ রয়েছে, জেলা প্রশাসক মহোদয় কালিহাতির বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে জিআর (চাল) বরাদ্দ প্রদান করেছেন কিন্তু এই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তা আটকে রেখেছে এবং অনেক প্রতিষ্ঠান জিঅার (চাল) এর জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করে রেখেছেন কিন্তু পিঅাইও অফিসার ফরওয়ার্ডিং করে জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর পাঠায় না। এছাড়াও, অনেক হতদরিদ্র মানুষ শুকনা খাবারের জন্য আবেদন করলে ইউএনও মহোদয় পিআইও কাছে পাঠিয়ে দিলেও সে দেয় না ও বিভিন্নভাবে কালক্ষেপণ করে। দরিদ্র মানুষ টিনের জন্য আবেদন করে তাদেরকেও টিন না দিয়ে আটকে রেখেছে। সকল কাজে সে সমস্যার সৃষ্টি করেছে। বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হইছে। এ সমস্যা থেকে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা সমাধান চায়।