সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড: শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়
সোহেল রানা শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করে, এটার প্রমাণ মিলেছে। জবানবন্দীতে রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার সব অপরাধের দায় স্বীকার করেন সোহেল রানা। এসময় স্ত্রী স্বপ্না খাতুন তাকে পালাতে সহযোগিতা করে। এছাড়াও আসামি দোষ স্বীকারোক্তির পর তা প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়নি। দুইজনই একই অপরাধে অপরাধী।
একইসঙ্গে আসামিদের যথাযথ শাস্তি না দিলে আদালত ব্যর্থ হবে। তাদের অপরাধ সংশোধনযোগ্য নয় বলেও জানিয়েছেন আদালত। এর আগে, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে। এরইমধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে আদালতে আনা হয়। পরে দুজনকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
গত বৃহস্পতিবার এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক মাসরুর সালেকীন ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। দেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম কোনো ধর্ষণ ও হত্যা মামলা, যার বিচারকাজ শেষ হয় চার দিনে। আলোচিত এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ১৬ জন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দাবি, মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হয়েছে। এতে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করেন তিনি।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সোহেল রানার জন্য মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আবেদন করেন।
সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড: শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়


