২৮ নাগরিককে ফাঁসানোর চেষ্টায় বিভিন্ন মহলের নিন্দা ২৮ নাগরিককে আইনের ফাঁদে ফাঁসানোর চেষ্টায় বিভিন্ন মহল নিন্দা জানিয়েছেন।
অভিনেত্রী ও নির্দেশক রোকেয়া প্রাচী, অভিনেতা আজিজুল হাকিম, অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি, অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার, অভিনেত্রী তানভীন সুইটি, নাট্য নির্দেশন হৃদি হক, অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি, অভিনেতা সাজু খাদেম, অভিনেত্রী সোহানা সাবা, অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি, অভিনেত্রী আশনা হাবীব ভাবনা, অভিনেতা সাইমন সাদিক, অভিনেত্রী সুজাতা আজিম, অভিনেতা জায়েদ খান, অভিনেতা চন্দন রেজা, ফ্যাশন মডেল মারিয়া কিসপট্টা, লেখক শান্তা ফারজানা,
নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, উপস্থাপিকা সোমা ইসলামের বিরুদ্ধে জুলাই অবমাননার খোড়া অযুহাতে যে অভিযোগ করেছে, তার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা হরণের চেষ্টা করছে।
২৭ জুলাই প্রেরিত বিবৃতিতে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, জাতীয় সাংস্কৃতিকধারার উপদেষ্টা অধ্যাপক শুভঙকর দেবনাথ, বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি একরামুল হক গাজী লিটন, মানবাধিকার বাংলাদেশের মহাসচিব সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি, মুক্তিযুদ্ধ চর্চা কেন্দ্রের আহবায়ক বেলায়েত হোসেন, সমাজ-সংস্কৃতি মঞ্চের সভাপতি নূরুল ইসলাম চৌধুরী আরো বলেন, রাষ্ট্র সংস্কার ফোরামের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগের মধ্য দিয়ে একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধী-যুদ্ধাপরাধীরেকে সংসদে পুর্নবাসিত করার মত ধৃষ্টতা দেখানোর পরও সরকারের পক্ষ থেকে এই ভূইফোঁর সংগঠনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে সমাজের খ্যতিমান অভিনেতা-অভিনেত্রী, সাংবাদিক, সোস্যাল এক্টিভিটিস্টি ও রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া স্বাধীনতা-ধর্ম-মানবতা বিরোধীদের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। যা সমাজে বাক স্বাধীনতা হরণের উদাহরণ হিসেবে ব্যাপক প্রভাব তৈরি করছে।
বিবৃতিদাতারা আরো বলেন, যে জুলাইর কারণে যুদ্ধাপরাধীরা সংসদ সদস্য হওয়ার পাশাপাশি সারাদেশে স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরোধীতা করছে, ছাত্র সমাজকে সহিংস করে তুলছে, মা- বোনকে ধর্ষণের মহা উৎসবে মেতে উঠেছে, সেই জুলাইর ভুল নিয়ে সমালোচনা করা কোনো অপরাধ হতে পারে না। বরং এই অভিযোগ যে বা যারা করেছে, তারা ধর্ম-মানবতা- দেশ-সমাজের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার কারণে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে তদন্তের ভিত্তিতে কঠোর শাস্তি দেয়া উচিৎ।