1. newsofbangla247@gamil.com : Newsofbanglatv : newsofbanglatv newsofbanglatv
রাস্তা সংস্কার কাগজে: বাস্তবে নেই অর্থ লোপাট - News Of Bangla TV রাস্তা সংস্কার কাগজে: বাস্তবে নেই অর্থ লোপাট - News Of Bangla TV
July 29, 2026, 1:15 pm

রাস্তা সংস্কার কাগজে: বাস্তবে নেই অর্থ লোপাট

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
  • Update Time : Thursday, June 25, 2026
  • 35 Time View

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মশিয়ার রহমান কাবিটা দ্বিতীয় পর্যায়ের দেওয়ানী পাড়া বাজার সংলগ্ন পিচের রাস্তা হতে ওহাবের বাড়ি অভিমুখে রাস্তা সংস্কার প্রকল্পের ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা কোনো কাজ না করেই উত্তোলন করে নিয়েছেন। প্রকল্প কর্মকর্তা বললেন, পরে কাজ করবে।


‎সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে স্থানীয় জনগণ বলেন, আমরা এই রাস্তা সংস্কারের কথা বললে মেম্বার বলে, টাকা আসেনি। টাকা আসলে কাজ করা হবে। বিগত ৪-৫ বছরের মধ্যে এই রাস্তায় কোনো কাজ হয়নি বলে জানান তারা।

‎তারা বলেন, আমরা শুনেছি কোনো প্রকল্পে কাজ শুরুর আগে পিআইও অফিস থেকে মেপে দেয়া হয়। কাজ শেষ হলে আবার দেখে গেলে কাজ শুরুর আগের ছবি ও নেমপ্লেট সহ কাজ শেষে পরের ছবি জমা দিলে বিল পাশ হয়। কিন্তু মশিয়ার মেম্বার কাজ না করে কিভাবে বিল তুলে নিলেন? পিআইও অফিসার ঘুষের বিনিময়ে এই বিল ছেড়ে দিয়েছেন তারা জানিয়েছেন।

‎প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ২য় পর্যায়ে কাবিটা প্রকল্পে এই কাজের জন্য ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য মশিয়ার রহমান কোনো কাজ না করে, রাস্তায় কোনো নেমপ্লেট না লাগিয়ে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

‎একটি সূত্র জানায়, টিআর কাবিটা প্রকল্পে প্রতিটি কাজে ১০% থেকে ৩০% টাকা পিআইও অফিস কে ঘুষ দিতে হয়। প্রকল্প মাপজোপ করার সময় ২ হাজার, দেখতে গেলে ১ হাজার ও ফাইল খরচ ১ হাজার ৫শ টাকা করে দিতে হয়। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে ২-৩ জন করে নিজস্ব মেম্বরে সাথে চুক্তির মাধ্যমে প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা ভাগাভাগিরও অভিযোগ আছে পিআরও’র বিরুদ্ধে। পিআইও অফিসের চুক্তি ভিত্তিক অফিস সহকারী সোহেলর মাধ্যমে এই টাকা ভাগবাটোয়ারা হয়। সারাদিন কালেশন করে রাতে ১৮ মাইলের এক হোটেলে বসে ভাগ করা হয় বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়।


‎ ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমান টাকা তুলে নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আগামীকাল কাজ শুরু করব এবং ১দিনের মধ্যে কাজ শেষ করব। আড়াই লক্ষ টাকার কাজ ১ দিনের মধ্যে কিভাবে শেষ করবেন এমন প্রশ্নের তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।


‎ইউপি চেয়ারম্যান এম এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি যতদূর জানি কাজ শেষ করা হয়েছে। যদি কাজ না করে থাকে বা অনিয়ম করে তাহলে আমি নিজেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করব।

 


‎উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আশরাফ হোসেন বলেন, এই প্রকল্পের টাকা দেয়া হয়েছে। পরে কাজ করে করে দিবে। কাজ শেষে প্রকল্পের কাজ দেখা, নেমপ্লেট সহ ছবি দেয়ার নিয়ম থাকলেও এই প্রকল্পে কেন নেয়া হয়নি এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর দিতে পারেনি তিনি।

 

See also  আদমদীঘিতে পশুরহাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধে প্রশাসনের সতর্কবার্তা

রাস্তা সংস্কার কাগজে: বাস্তবে নেই অর্থ লোপাট

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

BD IT HOST