ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের তুরাগ নদীর ওপর নবনির্মিত দুই লেনের দুটি সার্ভিস লেন যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে লেনগুলোর উদ্বোধন করেন।
মন্ত্রী জানান, ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত নির্মিত এই সার্ভিস সেতু দুটি জনসাধারণের সুবিধার জন্য সম্পূর্ণ টোলমুক্ত রাখা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও কোনো টোল নেওয়া হবে না। তিনি আরও জানান, প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত হলেও ইতোমধ্যে ৭২ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সার্ভিস লেন চালুর ফলে মূল এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে।
বিগত সরকার শেখ হাসিনার মেগা প্রকল্প মধ্যে এই ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের তুরাগ নদীর ওপর অন্যতম প্রকল্প ।ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে ২০১১ সালের জুলাই মাসে অনুমোদিত হয় এবং একনেক (ECNEC) কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদন পায় ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে ।এই প্রকল্প মধ্য দিয়ে তুরাগ হয়ে আগুরিয়া যাতায়াতের সময় অনেক বেচে যাবে যাত্রীদের । মূল এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ চলাকালীন স্থানীয় মানুষের ভোগান্তি ও যানজট কমাতে ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ধউর-আশুলিয়া রুটের ৩.৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সার্ভিস সেতু জনসাধারণের চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ টোলমুক্ত হিসেবে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধনী অনুমোদনের পর এর নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৫৪.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ২৭,০৪৫.৬৭ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নকশায় পরিবর্তন (যেমন বাইপাইলে ৩ তলা ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ ও বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালের সাথে সংযোগ) এবং অন্যান্য উন্নয়ন কাজের কারণে এই ব্যয় বৃদ্ধি পায়।
একনেকের সংশোধিত সময়সীমা অনুযায়ী প্রকল্পটি ২০৩০ সালের জুন মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বর্তমান কাজের গতি বজায় থাকলে আগামী বছরের (২০২৭ সাল) মধ্যেই মূল প্রকল্পের কাজ সমাপ্তির কাছাকাছি চলে আসবে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।