বিরামপুরে ঈদ উপহার হিসেবে দরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ
আপডেটঃ মে ২১, ২০২৬ | ৫:৪১
72 ভিউ
এমডি রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-পবিত্র ঈদুল আযহা ২০২৬ উপলক্ষে দিনাজপুরের বিরামপুর পৌরসভার উদ্যোগে অতি দরিদ্র,অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত এই খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমে শত শত নিম্ন আয়ের পরিবার অংশগ্রহণ করে। বুধবার সকালে বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে আয়োজিত বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিরামপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক তানজিনা খাতুন। এসময় তিনি বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঈদকে সামনে রেখে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিরামপুর পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম রেজু, পৌরসভার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বিতরণ কার্যক্রম চলাকালে উপকারভোগীদের মাঝে শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে চাল বিতরণ করা হয়। পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান,প্রকৃত অসহায় ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর তালিকা অনুযায়ী প্রত্যেক উপকারভোগীর হাতে নির্ধারিত পরিমাণ চাল তুলে দেওয়া হয়েছে। পুরো কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়। চাল নিতে আসা অনেকেই জানান,ঈদকে সামনে রেখে এই সহায়তা তাদের জন্য অনেক বড় স্বস্তি হয়ে এসেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে এমন সহায়তা দরিদ্র পরিবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন। বিশেষ করে দিনমজুর, অসচ্ছল ও কর্মহীন পরিবারগুলো এই সহায়তায় কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারাও পৌরসভার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে,উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তারা ভবিষ্যতেও অসহায় মানুষের পাশে এভাবে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ঈদকে সামনে রেখে সরকারের এই ভিজিএফ কর্মসূচি বিরামপুর পৌর এলাকার অসহায় মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।