1. newsofbangla247@gamil.com : Newsofbanglatv : newsofbanglatv newsofbanglatv
বাবার হোটেলে খাবারে বিষক্রিয়ায় ১জনের মৃত্যু, ছেলের হোটেলে ঘোড়ার মাংস! - News Of Bangla TV বাবার হোটেলে খাবারে বিষক্রিয়ায় ১জনের মৃত্যু, ছেলের হোটেলে ঘোড়ার মাংস! - News Of Bangla TV
September 11, 2026, 12:51 pm

বাবার হোটেলে খাবারে বিষক্রিয়ায় ১জনের মৃত্যু, ছেলের হোটেলে ঘোড়ার মাংস!

মশিউর রহমান
  • Update Time : Wednesday, August 26, 2026
  • 48 Time View

বাবার হোটেলে খাবারে বিষক্রিয়ায় ১জনের মৃত্যু, ছেলের হোটেলে ঘোড়ার মাংস



‎মশিউর রহমান :

২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর  রোববার রাজশাহী নগরীর সিটি হাট এলাকায় ‘জাফর হোটেলে’ সকালে নাস্তা খাওয়ার পর ছয় গরু ব্যবসায়ীসহ কমপক্ষে ৩০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেলে নেওয়া হলে পরের দিন সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে জর্জ মিয়া (৫৫) নামের এক ব্যক্তি মারা যান। এ ঘটনায় রাজশাহীতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল।

‎খাদ্যে বিষক্রিয়ায় তারা অসুস্থ হন বলে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের তৎকালীন  চিকিৎসক মাহামুদুর রহমান খান বাদশা জানিয়েছিলেন।

‎এ ঘটনায় হোটেলের মালিক এবং তার ছেলে ফায়সালসহ চারজন আটকও হয়েছিলেন এবং দীর্ঘ ৯ মাস কারাগারেও ছিলেন।

‎এবার সম্প্রতি ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে সিটি হাটের জাফর হোটেলের মালিক জাফরের ছেলে ফায়সালের বিরুদ্ধে।

‎জানা গেছে,রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজারের জনপ্রিয় ফায়সাল হোটেলে গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে এ অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন হোটেল মালিক ফায়সাল।

‎অভিযোগের পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার হোটেলটি পরিদর্শন করেছে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ। এ সময় হোটেল থেকে কাঁচা ও রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনাগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকার সেন্ট্রাল ডিজিজ ইনভেস্টিগেশন ল্যাবরেটরিতে (সিডিআইএল) পাঠানো হবে।

‎সোমবার ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।এরপর বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।

‎পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনুল আবেদীনের নেতৃত্বে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা হোটেলটি পরিদর্শন করেন।

‎ইউএনও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হোটেলটি পরিদর্শন করে কাঁচা ও রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযোগ সত্য হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন সোহরাব খান বলেন, নমুনাগুলো ঢাকার সিডিআইএলে পাঠানো হবে। পরীক্ষার মাধ্যমে মাংসটি গরুর নাকি অন্য কোনো প্রাণীর মাংস মেশানো হয়েছে, তা শনাক্ত করা সম্ভব।

‎উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ জানান, ফায়সালসহ নওহাটা এলাকার অন্যান্য মাংস বিক্রেতা ও কসাইদের বিষয়েও তথ্য নেওয়া হচ্ছে।

‎তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হোটেল মালিক ফায়সাল বলেন, নওহাটা হাটে ঘোড়ার মাংস তো দূরের কথা, জীবিত ঘোড়াই নেই। তবে ২০১৫ সালের অভিযোগ তিনি স্বীকার করেছেন।

See also  বগুড়ায় জাল টিপসই দিয়ে খাদ্যবান্ধবের চাল আত্মসাতের চেষ্টা, ডিলার আটক

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

BD IT HOST